মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা

 

’’বিস্মিল্লাহির রাহমানির রাহিম‘‘

পঞ্চবার্ষিক (২০১২-২০১৭) পরিকল্পনা

৬নং গংগাচড়া ইউনিয়ন পরিষদ,

গংগাচড়া,রংপুর

 

 

 

তথ্য সংগ্রহ

 

 

ইউপি সদস্য ও সদস্যা

৬নং গংগাচড়াইউপি

গংগাচড়া,রংপুর

ইউনিয়ন সমন্বয়কারী

৬নং গংগাচড়াইউনিয়ন

 দি হাঙ্গার প্রজেক্ট - বাংলাদেশ

সচিব

৬নং গংগাচড়াইউপি

গংগাচড়া,রংপুর

গ্রাম পুলিশ

৬নং গংগাচড়াইউপি

গংগাচড়া,রংপুর

 

 

সার্বিক তত্ত্বাবধানে

মোঃ আসাদুজ্জামান বাবলু

চেয়ারম্যান

৬নং গংগাচড়াইউনিয়ন পরিষদ

গংগাচড়া, রংপুর

 

 

 

প্রকাশকাল

 

জানুয়ারী ২০১৩

 

 

মুখবন্ধ

 

জনগণের চাহিদা অনুসারে সেবা সরবরাহে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকরী ভূমিকা রাখার সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদে রয়েছে স্থানীয় সমস্যার সাথে পরিচিত প্রতিনিধি এবং পেশাগত কর্মকান্ডে পারদর্শী বিভিন্ন জাতি গঠনমূলক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ। জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবিদের সম্মিলিত প্রয়াসে জনগণের আকাঙ্খার সাথে তাল মিলিয়ে সেবা সরবরাহ করার পূর্বশর্ত হচ্ছে পরিকল্পিত পদক্ষেপ গ্রহণ।

 

সম্পদের সীমাবদ্ধতা ইউনিয়ন পর্যায়ে চাহিদা মাফিক সেবা সরবরাহে বড় বাধা। এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদে সম্পদ প্রবাহের নানাবিধ প্রক্রিয়া দৃশ্যমান উন্নয়নে গ্রহণে বাধার সৃষ্টি করে। এ প্রেক্ষাপটে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব তহবিল, সরকারের অনুদান এবং বিভিন্ন বিভাগের সম্পদ সমূহ একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় আনা গেলে লক্ষ্যভিত্তিক জনগোষ্ঠীকে সেবা প্রদান সহজ হবে এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন সহজ হবে। এ বিষয়টি উপলব্ধি করে এবং ইউনিয়ন পরিষদ আইন-২০০৯ এর ৪৭ (ঘ) ধারার নির্দেশনা অনুসরণ করে ৬নং গংগাচড়াইউনিয়ন পরিষদের পঞ্চবার্ষিক (২০১২-২০১৭) পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্রিষ্ট কর্মকর্তা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং কর্মচারীদের অংশগ্রহণে যে পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে তা বাসত্মবায়নে সংশিস্নষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

 

(মোঃ আসাদুজ্জামান বাবলু)

চেয়ারম্যান  

৬নং গংগাচড়াইউনিয়ন পরিষদ

গংগাচড়া, রংপুর

 

 

 

কর্মপরিকল্পনা (Action Plan)

(১)    প্রত্যাশা (Vision)

উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র হ্রাসকরণ, অবকাঠামোর প্রসারণ, আধুনিক সেচ ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন সুযোগ সৃষ্টি, সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, কৃষিক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জন, উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি, লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য হ্রাস এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ইউনিয়ন পরিষদের প্রত্যাশা।

 

(২)   পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উদ্দেশ্য

স্বাধীন জাতি হিসেবে আজও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের নাগাল পাইনি বরং এখনও এ দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ দারিদ্র্য সীমা নীচে দিনযাপন করছে। ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের জনসাধারণের চিত্র সারা দেশের অন্য অঞ্চল হতে ভিন্নতর। জীবনের মৌলিক সুযোগ-সুবিধায় এদের প্রবেশাধিকার সীমিত। অত্র এলাকার জনগণের দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ৬নং গংগাচড়াইউনিয়ন পরিষদের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব সম্পদ এবং সরকারীভাবে ইউনিয়ন পরিষদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ জনগণের চাহিদা অনুসারে এবং প্রাধিকার ভিত্তিতে সমন্বিত উপায়ে ব্যবহারের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস করা। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সুনিদিষ্ট উদ্দেশ্যসমূহ নিমণরূপঃ

*  জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাসত্মবায়নের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরিষদের দক্ষতা বৃদ্ধি;

*  সর্বসত্মরের জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ইউনিয়নের পরিকল্পিত উন্নয়ন সাধন;

* জনগণের চাহিদা মোতাবেক সেবা সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জাতিগঠনমূলক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে ইউনিয়ন পরিষদের অংশীদারীত্ব সৃষ্টি করা;

* পরিকল্পিত সেবা ও সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে এলাকার সেচ ব্যবস্থাপনা, পয়ঃ নিষ্কাশন, শস্য, প্রাণীজ সম্পদ, মৎস্য ইত্যাদির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা;

*  উন্নত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণের সুযোগ সৃজন এবং তা গ্রহণে এলাকার জনগণের সক্ষমতা বদ্ধি; এবং

* উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের মধ্যে আমত্মঃযোগাযোগ বৃদ্ধি।

(৩)   সম্পদ ও এর উৎস

ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্প বাসত্মবায়নে যে সকল উৎস হতে সম্পদ আহরণ করা হবে তা নিম্নরূপঃ

         ১.       ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (LGSP);

         ২.      রাজস্ব উদ্বৃত্ত;

         ৩.      ইউনিয়ন পরিষদে হসত্মামত্মরিত বিভিন্ন বিভাগের কর্মসূচি/ বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ;

         ৪.      ভূমি উন্নয়ন কর ১%;

         ৫.      কাবিখা, টিআর ইত্যাদি;

         ৬.      উপজেলা ও জেলা পরিষদ প্রকল্প/বরাদ্দ;

         ৭.      অন্যান্য

(৪)   পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা

ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা হিসেবে ও পরিকল্পনার কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এগুলো নিম্নরূপঃ

         ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন সেক্টরের তথ্যের ঘাটতি রয়েছে বিধায় সংশ্রিষ্ট সেক্টরের বর্তমান অবস্থা বিশ্রেষণ করে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা কষ্টকর। ইউনিয়ন পর্যায়ে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়নের কোন রূপরেখা না থাকার ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের মনে সংশয় পরিলক্ষিত হয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের সকল সরকারি কর্মকর্তাদের পরিষদে পরিপূর্ণ হসত্মামত্মরিত হলে এ সংশয় থাকত না।

 

(৫)   পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আকার ও সেক্টরভিত্তিক বিভাজন

৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের পরিকল্পনা বাসত্মবায়নের জন্য মোট ৬,৪৬,৫২,৯৭২.০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তার মধ্যে রাজস্ব ব্যয় ৪২,৮০,৪৭২.০০ (টাকা) ও উন্নয়ন ব্যয় ৬,০৩,৭২,৫০০.০০ (টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

বিবরণ

২০১২-২০১৩

২০১৩-২০১৪

২০১৪-২০১৫

২০১৫-২০১৬

২০১৬-২০১৭

মোট ব্যয়

(২০১২-২০১৭)

রাজস্ব ব্যয়

৮৩৮০৪৫

৮৩৮৪২৫

৮৫২৮৬৯

৫৭১৯৩৩

৮৭৯২০০

৪২৮০৪৭২

উন্নয়ন ব্যয়

 

১৪১২৫০০০

১৪৩৫০০০০

১৪৯৭৫০০০

১৫০৭৫০০০

১৫৩২৫০০০

৬০৩৭২৫০০

সর্বমোট (রাজস্ব ও উন্নয়ন) ব্যয় = ৪২৮০৪৭২+৬০৩৭২৫০০ = ৬৪৬৫২৯৭২ (ছয় কোটি ছেচল্লিশ লক্ষ বাহান্ন হাজার নয়শত বাহাত্তর টাকা মাত্র)

 

 সেক্টরভিত্তিক বিভাজন

ক্রঃ নং

 সেক্টরের নাম

বরাদ্দ

 

উন্নয়ন ব্যয়ের

(২০১২-২০১৭)

শতকরা হার

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ

৯০০০০০

১.২২

শিক্ষা উন্নয়ন

৩৭০০০০০

৫.০১

নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা

৯১০০০০০

১২.৩২

কৃষি ব্যবস্থা

৬২৫০০০

০.৮৫

প্রানি সম্পদ উন্নয়ন

৩৫০০০০

০.৪৭

মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন

৪৫০০০০

০.৬১

পরিবেশ ও বৃক্ষরোপন

৭৫০০০০

১.০২

পারিবারিক বিরোধ নিরসন

৫৭৫০০০

০.৭৮

যোগাযোগ/ অবকাঠামো উন্নয়ন

৪৩১০০০০০

৫৮.৩৬

১০

জীবন ও জীবিকার উন্নয়ন

৮৩০০০০০

১১.২৪

১১

সুশাসন সম্পর্কিত

১১০০০০০

১.৪৯

১২

অন্যান্য

৪৯০০০০০

৬.৬৩

 

(০৬)    সামাজিক খাতভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা

ক. স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ

স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সরকারের একটি সাংবিধানিক বাধ্যবধকতা। সংবিধানে বলা হয়েছে ‘‘রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্য উৎপাদন শক্তির ক্রমবৃদ্ধি সাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্ত্তগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতি সাধন যাতে নিমণলিখিত বিষয়সমুহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়; (ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা।’’ বাংলাদেশ সরকার এই লক্ষ্য অর্জনে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্মাণ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা জোরদারকরণের পর্যাপ্ত পরিমাণে বিনিয়োগ করে আসছে। আর এক্ষেত্রে পল্লী অঞ্চলে বসবাসকারী বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হয়েছে। সরকার কর্তৃক পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক বিভিন্ন কর্মসূচী বাসত্মবায়নের ফলে জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার পূর্বের তুলনায় হ্রাস পেলেও দরিদ্র জনগণের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এখনও বেশী। বাংলাদেশের জনগণের গড় আয়ুকাল পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এখনও বেশী। এ প্রেক্ষাপটে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হ্রাস করতে না পারলে বিরাট একটি জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও অন্যান্য চাহিদা মেটানো কঠিন হয়ে পড়বে।

 

খ. শিশুদের ওজন মনিটরিং

বাচ্চাদের কম ওজন নিয়ে জন্মগ্রহণ বহু আলোচিত হলেও এর জন্য উদ্যোগের বিরাট অভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি কার্যক্রম চোখে পড়ার মত নয়। কিন্তু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে কাজ করে গেলেও সমস্যার বিশালতার তুলনায় এ উদ্যোগ একেবারেই নগন্য। ইউনিয়ন পরিষদ এক্ষেত্রে সরকারি স্বাস্থ্য কর্মীদের কার্যক্রমকে যেমন সমন্বয় করতে পারে অন্যদিকে নিজ উদ্যোগে কিছু সমন্বিত কার্যক্রম চালু করতে পারে যাতে বাচ্চাদেরও ওজন নিয়মিত মনিটরিং এর আওতায় আসে। বিষয়টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজেই সবদিক বিবেচনায় এর কিছু অংশ দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

গ. কমিউনিটিতে পুষ্টির সচেতনতা সৃষ্টি

গ্রামীণ জনসাধারণের একটি বড় অংশের মধ্যে প্রকৃত পুষ্টি জ্ঞান নেই। দরিদ্র মানুষের নিকটস্থ অনেক শাক-সবজি ও দেশী ফলমূলের মধ্যে যথেষ্ঠ পরিমাণ পুষ্টি ও ভিটামিন থাকলেও পুষ্টি জ্ঞান না থাকার কারণে অনেকেই এগুলোর প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে অথবা এগুলো সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারে না। এ †ক্ষত্রে সরকার তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম। সে কারণেই তৃণমূল পর্যায়ে বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর করতে হলে এ বিষয়টি একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় অমত্মর্ভূক্ত করা দরকার বলেও মনে করা হয়েছে।

 

সারণি-১ঃ ইউনিয়নের স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বর্তমান অবস্থা

তথ্য

সংখ্যা

পরিবার-কল্যাণ কেন্দ্র

০১

কমিউনিটি ক্লিনিক

০২

জরুরী বিভাগের স্বাস্থ্য সেবা

নাই

বহিঃবিভাগের স্বাস্থ্য সেবা

নাই

আমত্মঃবিভাগের স্বাস্থ্য সেবা

নাই

আবাসিক ডাক্তারের সংখ্যা

নাই

শিশু মৃত্যুর হার

১০০০ জনে ৫জন

জন্ম নিয়ন্ত্রণের উপকরণ বিতরণ

আছে

জন্ম নিয়ন্ত্রণ গ্রহণকারীর হার

শতকরা ৮০.৭৯

টীকাদান কর্মসূচি

শতকরা ৮০.৭৯

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তর

 

সারণি-২ঃ ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার পরিকল্পনাঃ ২০১২-২০১৭

 

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের

উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কখন করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

 

পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা প্রচার অভিযান

সুন্দর স্বাস্থ্যাভ্যাস গড়ে তোলা

স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় জনগণ

স্বাস্থ্য বিভাগ, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭(প্রত্যেক মাসে)

২.০০

স্বাস্থ্য অভ্যাস অনুশীলন

সুন্দর স্বাস্থ্যাভ্যাস গড়ে তোলা

স্বাস্থ্য বিভাগ, জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

স্বাস্থ্য বিভাগ, ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭(প্রত্যেক মাসে)

১.০০

স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার অভিযান

রোগমুক্ত/ সুস্থ্য জীবনযাপনের জন্য

স্বাস্থ্যবিভাগ, জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

ইউনিয়ন পরিষদ ও স্বাস্থ্য বিভাগ

২০১২-২০১৭(প্রত্যেক মাসে)

১.০০

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

পরিবেশ ভালো রাখবার জন্য

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি ও স্বাস্থ্য বিভাগ

ইউনিয়ন পরিষদ, স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭(বছরে ৪টি)

১.০০

নিয়মিত গর্ভবতী মায়েদের পরিচর্যা প্রচারাভিযান

শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার কমানো

স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭(নিয়মিত)

১.০০

বাচ্চার ওজন করা

শিশুর দৈহিক গঠন ঠিক রাখবার জন্য

স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭(নিয়মিত)

১.০০

ডি-ওয়ার্মিং ক্যাম্পেইন

কৃমি প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি

স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭

(বছরে ২ বার)

০.৫০

যক্ষ্মা বিষয়ক প্রচারাভিযান

যÿা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি

স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

স্বাস্থ্য বিভাগ

২০১২-২০১৭(বছরে ২ বার)

০.৫০

টিকা ও ভিটামিন এ ক্যাপসুল বিষয়ক ক্যাম্পেইন

অপুষ্টি থেকে রÿা

স্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজো পরিষদ

২০১২-২০১৭ (প্রত্যেক মাসে ক্যাম্পেইন)

-

দক্ষ দাই/ ধাত্রী মাতা প্রশিক্ষণ

শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার কমানো

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ

২০১২-২০১৭(বছরে ১টি)

১.০০

ইমাম/কাজীদের নিয়ে বৈঠক

ধর্ম ও আইন বিষয়ে স্থানীয় জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি

ইউনিয়ন পরিষদ

ইউনিয়ন পরিষদ ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ

২০১২-২০১৭(বছরে ১টি)

-

মোটঃ ৯.০০ (নয় লক্ষ টাকা)

 

ঘ. শিক্ষা

একটি দেশের অগ্রগতি এবং আর্থ-সামাজিক অবস্থার রূপামত্মরের জন্য শিক্ষা একটি মৌলিক উপকরণ। একটি উন্নত, দক্ষ ও সচেতন জাতিগঠনে সুশিক্ষিত ও সুনাগরিক তৈরি করা দরকার তার মূল ভিত্তি হচ্ছে মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা। ইউনিয়নের কর্মকর্তাগণ নিবিড়ভাবে পরিদর্শন কাজ সম্পন্ন করে শিÿকদের সকল প্রকার কাজ যথাযথভাবে তদারকি করে আসছে। চালুকৃত উপবৃত্তি কর্মসূচি, শিÿক নিয়োগ, বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ, ইউনিসেফ কর্তৃক প্রকাশিত সম্পূরক পঠন সামগ্রী যথাসময়ে প্রতিটি বিদ্যালয়ে পৌঁছিয়ে দেয়া হয়েছে। নিরাপদ অবকাঠামো নির্মাণ, প্রাথমিক বিদ্যালয় উন্নয়ন প্রকল্প ইত্যাদি কার্যক্রম বাসত্মবায়ন করেছে। কার্যকর এসএমসি গঠন, প্রধান শিক্ষকগণকে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণ প্রদান কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পাদিত হয়েছে।

 

শিশুদের স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করা

প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে ৪% জন শিশু বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকে যাচ্ছে যা ১০০% শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর সরকারি অঙ্গীকার পূরণের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অন্যদিকে মানসম্মত শিক্ষা বাসত্মবায়নের এ সমস্যার আশু সমাধান জরুরী। এ ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করা, বৈকালিক শ্রম হতে শিশুদের মুক্তি দান, স্কুল পরিবহনের ব্যবস্থা করার মতো কিছু উৎসাহমূলক কার্যক্রম তাছাড়া অভিভাবকদের এ বিষয়ে সচেতন করার জন্য বিদ্যালয় ভিত্তিক নিয়মিত অভিভাবক কাউন্সিলিং সভার উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। এ সবগুলো বিষয় একবারেই করে ফেলা সম্ভব নয়। তবে সবদিক বিবেচনার প্রেক্ষিতে এর কিছু কিছু দিক পরিষদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অমত্মর্ভূক্ত করা হয়েছে।

 

শিশু ভর্তি হার বৃদ্ধি

ইউনিয়নের প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায় ০৪% ভর্তিযোগ্য শিশু এখনও প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত রয়ে গেছে। এ সমস্যার ত্বরিত সমাধানের জন্য একদিকে অভিভাবক পর্যায়ে যেমন দরকার ব্যাপক সচেতনতা অন্যদিকে দরকার কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অভিভাবক ছাত্র-ছাত্রী দুপক্ষের জন্যই ব্যাপক উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম জরুরী যা ধারাবাহিক পরিকল্পনার আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

 

ছাত্র-ছাত্রীদের ঝড়ে পড়া রোধ

বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থী ঝড়ে পড়া সংক্রামত্ম ইউনিয়নের চিত্রও আশাব্যঞ্জক নয়। দেখা যায় শতকরা ০৬ জন শিশু বিদ্যালয থেকে ঝড়ে পড়ছে। এটাও শতভাগ প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের সরকারি লক্ষমাত্রায় পৌঁছার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা। প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে এমডিজির লক্ষ্য অর্জনে বিদ্যালয় থেকে শিশু ঝড়ে পড়া ইস্যুটিকে অগ্রাধিকার দেয়া জরুরী। এক্ষেত্রেও অভিভাবকদের সচেতনতার পাশাপাশি দরকার ব্যাপকভাবে সরকারি উৎসাহমূলক কার্যক্রম। বিষয়টি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার দাবী রাখে বিধায় তা পরিকল্পনায় অমত্মর্ভূক্ত করা হয়েছে।

শিক্ষক, স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও অভিভাবক সমন্বয় বিদ্যালয়য়ের উন্নয়নের সাথে যাদের জীবন মান উন্নয়নের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কেবলমাত্র তাদের উদ্যোগেই বিদ্যালয়ের বিরাজমান দুরাবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। তাদেরকে নিয়েই গড়ে তোলা যেতে পারে একটি কার্যকর এসএমসি্ আর এসএমসিকে কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য দরকার এর সাথে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সুসমন্বয় নিয়মিত সমন্বয় বা সৌজন্য সভার মধ্য দিয়েই সম্ভবপর হতে পারে। সে লক্ষ্যে এ বিষয়টিকে পরিকল্পনাভূক্ত করা হয়েছে।

সারণি-৩ঃ ইউনিয়নের শিক্ষা বিষয়ক বর্তমান অবস্থা

তথ্য

সংখ্যা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

০৬

রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়

০৪

এবতেদায়ী মাদ্রাসা

০৪

উচ্চ বিদ্যালয়

০১

ফাজিল মাদ্রাসা

০০

দাখিল মাদ্রাসা

০১

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার

১০০%

বিদ্যালয়ে উপস্থিতি

৯৬%

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়ার হার

৬%

প্রাথমিক উপবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে

৭৫%

মাধ্যমিক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে

৫০%

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা শিক্ষা অফিস

সারণি-৪ঃ ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের শিক্ষা উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ ২০১২-১০১৭

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কখন করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

(লক্ষ টাকায়)

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

শিক্ষার মান বাড়ানো

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি (SMC) ও ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্রিষ্ট স্থায়ী কমিটি

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭

(প্রতি বছরে ৩টি)

২.০০

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন/ পুনঃ গঠন

শিক্ষার মান বাড়ানো

ইউনিয়ন পরিষদের সংশিস্নষ্ট স্থায়ী কমিটি ও স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ইউনিয়ন পরিষদ

২০১২-২০১৭

 (১ বছর পরপর)

২.০০

প্রাইমারি শিক্ষা বৃত্তি প্রদান

শিক্ষার মান বাড়ানো

প্রাইমারী শিক্ষা বিভাগ

কেন্দ্রীয় সরকার ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭

(বছরে ১ বার)

৯.০০

অভিভাবক সমাবেশ

সচেতনতা বৃদ্ধি

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি (SMC) ও ইউনিয়ন পরিষদের সংশিস্নষ্ট স্থায়ী কমিটি

ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭

 (বছরে ২টি)

২.০০

বাৎসরিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক মান বাড়ানো

সংশ্রিষ্ট স্কুল

ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭

 (বছরে ১টি)

২.০০

গণশিক্ষা/বয়স্ক শিক্ষা কার্যক্রম

শিক্ষার হার বাড়ানো

ইউনিয়ন পরিষদের সংশ্রিষ্ট স্থায়ী কমিটি

কেন্দ্রীয় সরকার, ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

২০১২-২০১৭

 (প্রত্যেক ওয়ার্ডে পাঠদান)

২.০০

দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের বিনামূল্যে পোশাক ও অন্যান্য উপকরণ বিতরণ

দরিদ্র শিশুদের স্কুলমুখী করা

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটির মাধ্যমে

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭

 (প্রত্যেক স্কুলে)

২.০০

স্কুলে আসবাবপত্র প্রদান

পাঠদান পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটির মাধ্যমে

কেন্দ্রীয় সরকার, ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭

 (অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রাইমারী স্কুলে)

১০.০০

ওয়ার্ড ভিত্তিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কমিটি গঠন ও কার্যকর করা

শিশুদের স্কুলমুখী করা

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি/সংশিস্নষ্ট বিভাগের মাধ্যমে

ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭

(বছরে ২টি)

২.০০

শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কার

শিক্ষার মানোন্নয়ন

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি (SMC)

ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭

 (বছরে ১ বার)

২.০০

শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী (ক্লাসভিত্তিক) পুরস্কার

শিক্ষার মানোন্নয়ন

স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি (SMC)

ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭

 (বছরে ১ বার)

২.০০

 মোটঃ ৩৭.০০     (সাইত্রিশ লক্ষ) টাকা

 

গ.    নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা

নিরাপদ পানি সরবরাহ করতে না পারলে জনস্বাস্থ্য সবসময় হুমকির সম্মুখীন হয়। একইভাবে স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার নিশ্চিত করার গুরম্নত্ব ও সমানভাবে বিবেচ্য। ইউনয়নের জনগণকে পানের জন্য সুপেয় পানি, গোসল ও অন্যান্য ব্যবহারের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ করার জন্য সহায়তা প্রদান, স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারের উদ্বুদ্ধকরণ ও সুযোগ তৈরী করে দেয়ার জন্য পরিষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। উলেস্নখিত কার্যক্রম পরিচালনায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর জনগোষ্ঠীকে আর্সেনিকমুক্ত নলকূপ এবং রিং সস্নাব উৎপাদন ও বিতরণ করবে। নলকূপ নষ্ট হলে মেরামতে সহায়তা প্রদান করবে। জনগণের ব্যবহৃত টিউবওয়েলে আর্সেনিকের অবস্থা পরীÿা করার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে।

সারণি-৫ঃ ইউনিয়নের নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানার বর্তমান অবস্থা

তথ্য

সংখ্যা

খানা

৫২৬২

মসজিদ

৩৮

মন্দির

০২

হাট-বাজার

০২

বাস/টেম্পু/রিক্সা স্ট্যান্ড

০০

সামাজিক প্রতিষ্টান (ক্লাব/ সমিতি, ইত্যাদি)

০০

স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন

৪৫২৩

নলকূপের সংখ্যা

৩৪০০

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

সারণি-৬ঃ ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত পাযখানা উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ ২০১২-১০১৭

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কখন করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

(লক্ষ টাকায়)

নিরাপদ পানি পান ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে পাড়াভিত্তিক প্রচারাভিযান পরিচালনা

সুন্দর স্বাস্থ্যাভ্যাস গড়ে তুলবার জন্য

জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

ইউনিয়ন পরিষদ, জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা

প্রত্যেক মাসে

২.০০

অকেজো নলকূপগুলো সচল করা

নিরাপদ পানি পান করবার জন্য

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ

ইউনিয়ন পরিষদ ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

৩.০০

সকল নলকূপের আর্সেনিক পরীক্ষা করা

নিরাপদ পানি পান করবার জন্য

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ

ইউনিয়ন পরিষদ ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

২.০০

অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নলকূপ স্থাপন

নিরাপদ পানি পান করবার জন্য

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ

ইউনিয়ন পরিষদ ও জনস্বাস্থ্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

২০.০০

নলকূপ সচল রাখতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ

নিরাপদ পানি পান করবার জন্য

জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক/ জনগণ

ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ এবং জনস্বাস্থ্য বিভাগ

বছরব্যাপী

২.০০

প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক (হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির) নলকূপ স্থাপন

 

জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও দাতা সংস্থা

ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ এবং জনস্বাস্থ্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

১৫.০০

স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন

স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রচারাভিযান

স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি

জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও এনজিও

ইউনিয়ন পরিষদ, জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও এনজিও

পাড়াভিত্তিক বছরে

৩ বার

১.০০

স্বল্পমূল্যের স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিনের প্রযুক্তি প্রদর্শনী

স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি

জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও এনজিও

জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও এনজিও

বছরে ১টি

১.০০

পাড়াভিত্তিক ল্যাট্রিন স্থাপন

স্বাস্থ্যসম্মত জীবন অভ্যাস গড়ে তোলা

সংশিস্নষ্ট সরকারি দপ্তর ও এনজিও

ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ এবং জনস্বাস্থ্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

৭.০০

শিÿা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থসম্মত ল্যাট্রিন নিশ্চিতকরণ

ছাত্র-ছাত্রীদের স্বাস্থ্যাভ্যাস গড়ে তোলা

সংশিস্নষ্ট সরকারি দপ্তর ও সংশিস্নষ্ট স্কুল

ইউনিয়ন পরিষদ সরকারি দপ্তর ও সংশিস্নষ্ট স্কুল

২০১২-২০১৭

১০.০০

বাজার, রাসত্মার মোড় এবং মসজিদ-মন্দির ভিত্তিক  ল্যাট্রিন স্থাপন

জনগণের স্বাস্থ্যাভ্যাস ও সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলা

সংশিস্নষ্ট সরকারি দপ্তর ও দাতা সংস্থা

ইউনিয়ন পরিষদ

২০১২-২০১৭

১৫.০০

সামর্থ্যহীনদের বিনামূল্যে ল্যাট্রিন প্রদান

বিত্তহীনদের স্বাস্থ্যাভ্যাসে উদ্বুদ্ধ করা

জনস্বাস্থ্য বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ

ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারি দপ্তর

২০১২-২০১৭

১০.০০

ল্যাট্রিন ব্যবহার ও সু অভ্যাস নিশ্চিত করতে পাড়াভিত্তিক প্রচারাভিযান পরিচালনা

স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা

সংশিস্নষ্ট সরকারি দপ্তর ও এনজিও

ইউনিয়ন পরিষদ, সরকার ও এনজিও

২০১২-২০১৭

(প্রত্যেক পাড়ায় ১টি করে কর্মশালা

৩.০০

 মোটঃ  ৯১.০০ (একানববই লক্ষ)

       

 

ঘ.    কৃষি ব্যবস্থা

৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের কৃষকগণ রাসায়নিক সার হিসেবে শুধু ইউরিয়া ব্যবহার করত। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদ উপজেলা কৃষি বিভাগের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার ও উদ্বুদ্ধকরণের মাধ্যমে কৃষকগণকে সুষম সার ব্যবহারে অভ্যস্থ করা হয়েছে। ফলে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ফসল উৎপাদন আশানুরূপ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্ধিত জনগণের খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে হলে কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা এবং প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে। অতএব, শস্য উৎপাদনশীলতা ত্বরান্বিত করে এলাকার খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং দেশের খাদ্য ঘাটতি এলাকাসমূহে উদ্বৃত্ত খাদ্য সরবরাহ করা এ সেক্টরের উন্নয়নের মূল লক্ষ্য।

এছাড়া কৃষকদের শস্য বহুমূখীকরণে উৎসাহিত করার জন্য এলাকার সম্ভাব্যতা অনুসারে কৃষকদের সহযোগিতা প্রদান করা হবে। উন্নত বীজ সংরÿণের প্রশিক্ষণ এবং মাটির ধরন অনুযায়ী শস্য বিন্যাসে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে। সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ (সার, কীটনাশক, বীজ) সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। সেচ মৌসুমে কৃষকরা যাতে সেচ প্রদান অব্যাহত রাখতে পারে তার জন্য বিদ্যুৎ ও ডিজেল এর সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পরিবীক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হবে, কৃষি জমির জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লÿÿ্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, কৃষকরা যাতে তাদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পায় যে ক্ষেত্রে সরকারি উদ্যোগে ধান সংগ্রহ অভিযান কার্যকরভাবে পরিচালনা করার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ÿুদ্রাকার পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এলাকার এক দু-ফসলী জমিতে তিন-ফসলী জমিতে রূপামত্মর করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে। এছাড়া সেচের জন্য গভীর নলকূপের নির্ভরতা কমানোর জন্য ভূ-উপরস্থ পানি ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে। কৃষি কাজে বিপনন সহায়তায় প্রতিটি গ্রামের সাথে গ্রোথ সেন্টার এর রাসত্মাঘাট উন্নয়নের প্রচেষ্টা নেয়া হবে।

 

সারণি-৭ঃ ইউনিয়নের কৃষির বর্তমান অবস্থা

তথ্য

আয়তন/পরিমাণ

(হেক্টর)

ফসলের ধরন

মোট আবাদী জমি

৪০০২

ধান, আলু, গম, ভূট্টা, পাট, পিঁয়াজ, রসুন, হলুদ, বেগুন, মরিচ,

কৃষি ব্লক

০২টি

-

কৃষি পরিবার

১১০০

-

প্রামিত্মক চাষি

১০০০

-

ভূমিহীন চাষী

১৮৫০

-

জলাশয়

নাই

-

এক ফসলি জমি

২৩০০

-

দুই ফসলি জমি

১৪০০

-

তিন ফসলি জমি

৩০২

-

গভীর নলকূপ

০০

-

অগভীর নলকূপ (বিদ্যুৎ)

০০

-

অগভীর নলকূপ (ডিজেল)

০০

-

পাওয়ার পাম্প

০০

-

 

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর

 

সারণি-৮ঃ ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের কৃষি উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ ২০১২-১০১৭

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কখন করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

(লক্ষ টাকায়)

প্রদর্শনী প্রট স্থাপন

ফসল উৎপাদনের কলাকৌশল দেখানো

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সহায়তায় চাষীরা নিজেরাই করবে

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, দাতা সংস্থা ও এনজিও

২০১২-২০১৭

(প্রত্যেক বছরে ৪টি করে ইউনিয়ন ভিত্তিক প্রদর্শনী)

৩.০০

জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার

মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ রক্ষা

চাষীরা নিজেরাই করবে

কৃষক নিজেরা

২০১২-২০১৭

(আমন ও বোরো ফসলে)

-

উমত্মমানের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ

মানসম্মত বীজ সংরক্ষণ করা

কৃষি বিভাগ ও কৃষকেরা নিজেরাই করবে

কৃষকেরা নিজেদের উদ্যোগ সংরক্ষণ

২০১২-২০১৭

(চলমান)

 

-

আইপিএম; আইসিএম

আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও বলাই ব্যবস্থাপনা হাতে কলমে কৃষকদের প্রশিÿণ প্রদান করে ফসল উৎপাদনে দক্ষ করে তোলা

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

২০১২-২০১৭

(চলমান)

 

৩.২৫

                                                                                             মোটঃ ৬.২৫ (ছয় লক্ষ পচিঁশ হাজার)

 

ঙ.    প্রাণিসম্পদ

জনগণকে গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগির টিকা প্রদান, চিকিৎসা কার্যক্রম, গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগির খামার স্থাপনের পরামর্শ, উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদনে ঘাসের বীজ ও কাটিং সরবরাহ, কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রমের মাধ্যমে গরম্নর জাত উন্নয়ন, গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগি পালনে আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্প ও ÿুদ্র ঋণের আওতায় গরীব ও অস্বচ্ছল পরিবারের মধ্যে ঋণ বিতরণ এবং গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিÿণ প্রদান কাজে নিয়োজিত রয়েছে। প্রাণি সম্পদ সেক্টর উন্নয়নের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে উন্নত প্রজাতির গবাদি প্রাণি ও হাঁস-মুরগি পালনে উৎসাহিত করার মাধ্যমে দুধ, মাংস, ডিম উৎপাদন ও চামড়া ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা।

সারণি-৯ঃ ইউনিয়নের প্রাণি সম্পদ বিভাগের বর্তমান অবস্থা

তথ্য

ফসলের ধরন

হাঁস-মুরগির সরকারি খামার

নাই

মুরগি

১৯০০০

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ

সারণি-১০ঃ ৬নং গংগাচড়া ইউনিয়নের প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ ২০১২-১০১৭

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কখন করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

(লক্ষ টাকায়)

পশুপাখি পালন বিষয়ক প্রশিÿণ

পশুপাখি সংরÿণের মধ্য দিয়ে টেকসই পরিবেশ গঠন

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

২০১২-২০১৭

(প্রত্যেক ওয়ার্ডে ১টি করে প্রশিক্ষণ

০.৫০

কৃত্রিম প্রজনন সম্প্রসারণ

মানসম্মত প্রজনন প্রচলনে উৎসাহিত করা

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

২০১২-২০১৭

 

০.৫০

প্রত্যেক গ্রামে টিকাদান কার্যক্রম পরিচলনা

প্রাণির স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

২০১২-২০১৭

 (নিয়মিত টীকাদান কর্মসূচী পরিচালনা করা)

০.৫০

পশুপাখির স্বাস্থ্য ও টীকাদান বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা

পশু-পাখি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

প্রাণি সম্পদ বিভাগ

প্রয়োজন মতো

০.৫০

খামার স্থাপনে প্রশিক্ষণ প্রদান

আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি

প্রাণি সম্পদ বিভাগ ও এনজিও

প্রাণি সম্পদ বিভাগ ও এনজিও

২০১২-২০১৭

 (প্রত্যেক ওয়ার্ডে ১টি করে)

১.০০

খামারী সমাবেশ

খামারীদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা

প্রাণি সম্পদ বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ

প্রাণি সম্পদ বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ

২০১২-২০১৭

(প্রত্যেক বছরে ১টি করে)

০.৫০

মোটঃ  ৩.৫০.০০০.০০ ( তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা)

 

চ.     মৎস্য সম্পদ

মৎস্য সম্পদ আমাদের পুষ্টি চাহিদা এবং জনগণের কর্মস্থানের ভূমিকা পালন করে থাকে। এলাকার মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মৎস্য সম্পদের মোট উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের পুষ্টি চাহিদা মিটানো। ইউনিয়নে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য মৎস্যচাষীদের মাঝে ঋণ বিতরণ, পুকুর পরিদর্শনপূর্বক সংস্কারের জন্য পরামর্শ প্রদান, গুণগত ও মানসম্মত পোনা উৎপাদনের জন্য হ্যাচারী ও নার্সারী পরিদর্শন ও পরামর্শ প্রদান, মৎস্য আইন বাসত্মবায়নের লÿÿ্য হাট, বাজার, প্রতিবেশ উপযোগী মৎস্য আড়ত, হ্যাচারী ও নার্সারী উন্নয়ন ও পরামর্শ প্রদানসহ উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তিকরণের মাধ্যমে মৎস্যজীবিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ইত্যাদি কার্যক্রম নিয়মিত বাসত্মবায়িত হচ্ছে। আয়বর্ধনকারী মৎস্য প্রজাতি সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে ব্যবস্থা গ্রহণ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষে উৎসাহিত করার জন্য প্রশিÿণ প্রদান, এছাড়া প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র সনাক্তকরণ ও সংরÿণ, মাছের উন্নত পোনা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ, মাছের রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য সহায়তা প্রদান এবং প্রাবন ভূমিতে অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে মৌসুমে মাছ চাষের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রাকৃতিক জলাভূমিতে মাছের নিরাপত্তা প্রদান এ সেক্টর উন্নয়নের মূল লক্ষ্য।

 

সারণি-১১ঃ ইউনিয়নের মৎস্য সম্পদের বর্তমান অবস্থা

 

তথ্য

সংখ্যা

মোট পুকুর

১০৫

খাস পুকুর

০১

মৎস্যজীবী

৭৫

মৎস্যজীবী পরিবার

৭৫

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর

 

সারণি-১২ঃ ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ ২০১২-১০১৭

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কখন করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

(লক্ষ টাকায়)

চাষী পর্যায়ে পোনা তৈরি প্রশিক্ষণ

পোনা বা রেণুর সংখ্যা বৃদ্ধি

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি ও সংশ্রিষ্ট বিভাগ/মৎস্য বিভাগ

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি ও সংশ্রিষ্ট বিভাগ/ মৎস্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

(প্রতি ওয়ার্ডে ১টি করে প্রশিক্ষণ)

০.৫০

মৌসুমী মাছ চাষীদের প্রশিক্ষণ

মাছ চাষীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা

মৎস্য বিভাগ

মৎস্য বিভাগ ও উপজেলা পরিষদ

২০১২-২০১৭

 (প্রতি বছর ১টি করে)

১.৫০

মাছ চাষী সমাবেশ ও সচেতনতা বৃদ্ধি

চাষীদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা

মৎস্য বিভাগ

সংশ্রিষ্ট বিভাগ/ মৎস্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

 (প্রতি বছর ১টি করে)

১.০০

একই পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ

দেশী মাছ চাষে উৎসাহিত করা

মৎস্য বিভাগ

মৎস্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

 

১.৫০

পতিত জলাশয়গুলোতে মাছ চাষ

দেশী মাছ চাষে উৎসাহিত করা

প্রকল্প বাসত্মবায়ন কমিটি ও মৎস্য বিভাগ

সংশিস্নষ্ট বিভাগ/ মৎস্য বিভাগ

২০১২-২০১৭

 

-

মোটঃ ৪.৫০.০০০ (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা )

ছ.    যুব উন্নয়ন, সংস্কৃতি ও খেলাধূলা

খেলাধুলা মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থ্যতার জন্য অত্যমত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ। একটি জাতির নৈতিক চরিত্র, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং শৃঙ্খলতার উন্নয়নে ক্রীড়াকে অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ সুশৃঙ্খল মানব সম্পদ গঠনে খেলাধূলার কোনো বিকল্প নেই। বাঙ্গালী সংস্কৃতির লালন এবং মুক্তিযোদ্ধের মুল্যবোধ ধারণ করে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন করা প্রয়োজন। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তির যুগে বিদেশী সংস্কৃতির আগ্রাসন হতে সমাজকে মুক্ত রাখা চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয় হয়ে পড়েছে। ক্রীড়া উন্নযন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লÿÿ্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহকে কার্যকরী ও দক্ষভাবে কাজে লাগাতে হবে।

সারণি-১৩ঃ ইউনিয়নের সংস্কৃতি ও খেলাধূলার বর্তমান অবস্থা

তথ্য

সংখ্যা

সংখ্যা

ফুটবল খেলা

০৭

ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও শিÿা প্রতিষ্ঠান

ক্রিকেট খেলা

১০

 

ব্যাডমিন্টন খেলা

০৫

 

ভলিবল খেলা

০৬

 

খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক সংগঠন

০৪

 

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ

 

এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে ইউনিয়নের ক্রীড়া ও সংস্কৃতির উন্নয়নের লক্ষ্যে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় নিমেণাক্ত উদ্দেশ্য সমূহ নির্ধারণ করা হয়েছেঃ

         *       আবহমান বাংলার ঐতিহ্য সমৃদ্ধ খেলাধূলার উন্নয়নে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান;

         *       খেলাধূলার অবকাঠামো যেমন- বিদ্যালয়ের খেলাধূলার উন্নয়নে সহায়তা প্রদান;

         *       মেয়েদের উপযোগী খেলাধূলার ব্যবস্থা করা;

         *       খেলাধূলায় পারদর্শী এবং সম্ভাবনাময় খেলোয়ার এর তালিকা সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে  জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগের সাথে সমন্বয় সাধন;

         *       বাংলা ভাষার উৎকর্ষ সাধনে সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা;

         *       যথাযোগ্য মর্যাদায় ও কার্যকরভাবে জাতীয় দিবস পালনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমুহকে উৎসাহিত করা;

         *       গ্রাম এলাকায় গণপাঠাগার সমূহের উন্নয়ন এবং পাঠাগার ব্যবহারে জনগণকে উৎসাহিত করা।

খেলাধূলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ যুব সমাজের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়, এতে করে যুব সমাজের শরীর গঠন ও মানসিক বিকাশ ঘটে। আমাদের যুব সমাজ বিভিন্ন কারণে হতাশায় ভুগছে। তাদের সুস্থ্যভাবে বেড়ে উঠতে সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়ন প্রয়োজন।

 

জ.    পরিবেশ ও বৃক্ষরোপন

পরিবেশ উন্নয়নের মূল লÿ্য হচ্ছে, জনগণ যাতে স্বাচ্ছন্দে  ও নিরাপদে জীবনধারণ করতে পারে সেদিকে দৃষ্টি দেয়া। বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়নের কুফল হিসেবে বাযু, পানি ও জমি ক্রমেই দূষিত হচ্ছে। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে রাসত্মাঘাট, বাঁধ তৈরির ফলশ্রম্নতিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ইউনিয়ন পরিষদের যে কোনো প্রকল্প গ্রহণে প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে না এ ধরনের নিশ্চয়তা প্রদান করা হবে। এলাকার ইট ভাটা যানবাহন হতে ÿতিকারক ধোয়া নির্গত হওয়া থেকে মুক্ত রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্বাভাবিকভাবে খাড়ি ও রাসত্মার দু’ধারে গড়ে তোলা হয়েছে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম। এছাড়াও বর্তমানে ফসলের জমির আইল, পতিত জমি, পুকুর পাড় এবং বসত বাড়ীর আশেপাশে আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষ, শিশু, মেহগনি, কড়াই, মিনজুরি, বাবলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির বনজ বৃক্ষ এবং নিম, বহেড়া, অর্জুন, তেঁতুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির ঔষধি গাছ এবং এলাকা ব্যাপক বাঁশঝাড় রয়েছে।

 

সারণি-১৪ঃ ইউনিয়নের পরিবেশ ও বৃক্ষরোপনের  বর্তমান অবস্থা

তথ্য

কয়টি/ পরিমাণ

বন

০০

পানি

-

নদী, খাল ও অন্যান্য পরিবেশ

০১

খাদ্য নিরাপত্তা

সমেত্মাষজনক

কৃষি

-

নিচু ভূমি

৯০ হেক্টর

পরিবেশ অবক্ষয় পরিঃ

-

মৎস্য ধরা সমূহের অবস্থা

-

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ

সারণি-১৫ঃ ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের পরিবেশ ও বৃক্ষরোপন পরিকল্পনাঃ ২০১২-১০১৭

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কখন করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

(লক্ষ টাকায়)

প্রত্যেক গ্রামে বৃক্করোপনে সচেতনতামূলক সভা পরিচালনা

স্থানীয় জনগণকে বৃক্ষরোপনে উৎসাহিত করা

স্বেচ্ছাসেবক ও বন বিভাগ

ইউনিয়ন পরিষদ, স্বেচ্ছাসেবক, জিও ও এনজিও

২০১৩-২০১৫

(প্রত্যেক গ্রামে ১টি করে সভা হবে)

১.০০

নার্সারী স্থাপনে প্রশিক্ষণপ্রদান

আত্মকর্মস্থান সৃষ্টি

বন বিভাগ

বন বিভাগ

২০১৩-২০১৫

১.০০

অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে বৃÿরোপন

সবুজ এলাকা গড়ে উঠবে এবং আর্থিক লাভবান হবে

স্বেচ্ছাসেবক/ স্থানীয় জনগণ ও বনবিভাগ

বন বিভাগ ও স্থানীয় জনগণ

২০১২-২০১৭

(চলমান)

১.০০

ক্ষতিকর গাছ না লাগাতে সচেতনতা বৃদ্ধি

টেকসই পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করা

স্বেচ্ছাসেবক/ স্থানীয় জনগণ ও বন বিভাগ

বন বিভাগ ও স্থানীয় জনগণ

২০১২-২০১৭

(চলমান)

১.০০

ফলজ, বনজ ও ঔষধী জাতের বৃÿরোপন সচেতনতা বৃদ্ধি

সবুজ এলাকা গড়ে উঠবে এবং আর্থিক লাভবান হবে

স্বেচ্ছাসেবক/ স্থানীয় জনগণ ও বন বিভাগ

বন বিভাগ ও স্থানীয় জনগণ ও ইউনিয়ন পরিষদ

২০১২-২০১৭

(চলমান)

১.০০

রাসত্মা ও পতিত জমিতে বৃÿরোপনে উদ্বুদ্ধকরণ

অকেজো জমি কাজে লাগিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া

স্বেচ্ছাসেবক/ স্থানীয় জনগণ ও বন বিভাগ

বন বিভাগ ও স্থানীয় জনগণ ও ইউনিয়ন পরিষদ

২০১২-২০১৭

(চলমান)

১.০০

উন্নত জাতের চারা/ কলম তৈরি প্রশিক্ষণ

অধিক ফলন ফলানো

বন বিভাগ

বন বিভাগ ও ইউনিয়ন পরিষদ

২০১২-২০১৭

(চলমান)

০.৫০

বিদ্যালয় ভিত্তিক ফলজ, বনজ ও ঔষধী জাতের বৃক্ষরোপনে সচেতনতা বৃদ্ধি

সবুজ এলাকা গড়ে তোলা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সামাজিক কাজে উৎসাহিত করা

বন বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী

ইউনিয়ন পরিষদ ও বন বিভাগ

২০১২-২০১৭

(চলমান)

১.০০

মোটঃ  ৭.৫০.০০০ (সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা )

 

ঝ.    পারিবারিক বিরোধ নিরসন

পারিবারিক বিরোধ আমাদের দেশে একটি সামাজিক সমস্যা হিসাবে পরিগণিত হয়েছে। আমাদের দেশে সম্প্রতি নারী শিক্ষা, বিভিন্ন এনজিও গ্রপে নারীর অংশগ্রহণ ও নারীর অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বেড়েছে। সেই সাথে সামাজিক সমস্যাও ধারণ করেছে। সামাজিকভাবে বিরোধগুলোকে মিমাংসা করা সম্ভব।

সারণি-১৬ঃ ইউনিয়নের পারিবারিক বিরোধ অবস্থা

তথ্য

সংখ্যা/ শতকরা হার

নারী শিক্ষা

শতকরা ৬০%

বিভিন্ন এনজিও গ্রপে নারীর অংশগ্রহণ

শতকরা ৩০%

নারীর অর্থনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ

শতকরা ১০%

পারিবারিক সহিংসতা

শতকরা ৩০%

যৌতুক

শতকরা ৭৫%

দেনমোহর

শতকরা ০.২৫%

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ ও নিকাহ রেজিষ্টার অফিস

 

সারণি-১৭ঃ ৬নং গংগাচড়াইউনিয়নের পারিবারিক বিরোধ নিরসন উন্নয়ন পরিকল্পনাঃ ২০১২-১০১৭

গ্রহীতব্য কার্যক্রম

কার্যক্রম গ্রহণের উদ্দেশ্য

কে কাজটি করবে

অর্থের উৎস

কোন অর্থবছরে করা হবে

সম্ভাব্য খরচ

(লক্ষ টাকায়)

গ্রাম আদালত ও সালিশী পরিষদকে কার্যকর করা

এলাকার বিরোধ মিমাংসা মেটানো

ইউনিয়ন পরিষধ

ইউনিয়ন পরিষদ

২০১২-২০১৩

(চাহিদা ভিত্তিক)

২.০০

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি

বাল্য বিবাহ রোধ

ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারি সংস্থা

ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারি সংস্থা

২০১২-২০১৭

(প্রত্যেক ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রচারাভিযান)

১.০০

সিদ্ধামত্ম গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা

নারীদের ক্ষমতায়িত করা

স্বেচ্ছাসেবক ও বেসরকারি সংস্থা

ইউনিয়ন পরিষদ ও বেসরকারি সংস্থা

চলমান প্রক্রিয়া

২.০০

১৮ বছরের নিচে এমন মেয়েদের ১৮ বছর বলে সার্টিফিকেট না দেয়া

মেয়েদের সঠিক বয়সে স্বীকৃতি দেয়া

ইউনিয়ন পরিষদ

ইউনিয়ন পরিষদ

চলমান প্রক্রিয়া

০.৭৫

মোটঃ ৫৭৫০০০ ( পাচঁ লক্ষ পচাঁত্রর হাজার)

 

১১.      যোগাযোগ/ অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা

অর্থনৈতিক উন্নয়নের সূচনা এবং স্থায়ীত্বের পূর্বশর্ত হচ্ছে একটি কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা। কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা অর্থনৈতিক সুবিধা এবং প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে, ব্যয় হ্রাস করে, রপ্তানি বৃদ্ধি করে। সরকার পরিবহন নেটওয়ার্ক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকার পদÿÿপ গ্রহণ করে তা বাসত্মবায়ন করছে। বাংলাদেশ সড়ক ও সড়ক পরিবহণ বিভিন্ন কারণে যেমন- গতি, নমনীয়তা এবং বাজার গম্যতার কারণে, পরিবহণ ব্যবস্থার প্রধান উপায়ে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্ক গঠিত হয়েছে জাতীয় মহাসড়ক, আঞ্চলিক মহাসড়ক, থানা সংযোগ সড়ক, প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র সংযোগ সড়ক, ইউনিয়ন সংযোগ সড়ক এবং গ্রামীণ সড়ক এর সমন্বয়ে। ইউনিয়নের উন্নয়নের জন্য আমত্মঃওয়ার্ড যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য রাসত্মা, ব্রীজ, কালভার্ট, বাঁধ নির্মাণ অত্যমত্ম প্রয়োজন। পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বর্তমান অবকাঠামোসমূহ ব্যবহার উপযোগী রাখার জন্য প্রয়োজনীয় মেরামত ও সংস্কার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য নতুন অবকাঠামো তৈরি।

 

সারণি-১৮ঃ ইউনিয়নের অবকাঠামো বিভাগের তথ্য

তথ্য

রাসত্মার মোট দৈর্ঘ্য

(কি.মি.)

কালভার্ট/ ব্রীজ

ইউড্রেন নির্মাণ

প্যারাসাইড/ গাইডওয়াল নির্মাণ

ইউনিয়ন পাকা রাসত্মা

০২

০৫

২৮

০০

আধাপাকা রাসত্মা (HBB)

০০

 

 

 

কাঁচা রাসত্মা

৩২

 

 

 

 মোটঃ

৩৪

 

 

 

তথ্য সূত্রঃ ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা এলজিইডি


Share with :

Facebook Twitter